দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত চলাকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া কাতারের একটি গ্যাস কারখানা পুনরায় চালুর পর ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬৬ জন। সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
তবে এই বিস্ফোরণের পরও বিশ্ববাজারে জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি।
সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন। আহতদের সবাই চিকিৎসাধীন এবং কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে আল-কাবি বলেন, ‘আজ আমাকে এমন একটি কাজ করতে হচ্ছে, যা কখনো করতে হবে না বলে আমি সবসময় আশা করেছিলাম।’
প্রাথমিক তদন্তে এটি দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি কোনো নাশকতা বা বৈরী কর্মকাণ্ডের ফল নয়।
আল-কাবি বলেন, ‘এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল। এর পেছনে কোনো নাশকতা বা বৈরী উদ্দেশ্য ছিল না।’
একই সঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারক দেশ কাতার। এই প্রাণঘাতী ঘটনার পরও দেশটির স্বাভাবিক রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনা কোনোভাবেই বিশ্ববাজারে আমাদের জ্বালানি রপ্তানিকে প্রভাবিত করবে না।’
তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এমএস/